সর্বশেষ সংবাদ
হোম / Featured / ফতুল্লায় কিশোরী ধর্ষণ মামলায় কাশীপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি শ্যামল সহ গ্রেপ্তার দুই

ফতুল্লায় কিশোরী ধর্ষণ মামলায় কাশীপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি শ্যামল সহ গ্রেপ্তার দুই

১৪ বছরের কিশোরীকে ধর্ষণের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় কাশীপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি আনিসুর রহমান শ্যামল ওরফে চাচা শ্যামল গ্রেফতার হয়েছেন। মঙ্গলবার (২১ জানুয়ারি) ভোরে ফতুল্লার কাশীপুরের উত্তর গোয়ালবন্দ এলাকায় নিজ বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করে ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশ।

যুবলীগ নেতা শ্যামলের বিরুদ্ধে ওই কিশোরী ধর্ষণের ঘটনায় সালিশের নাম করে অভিযুক্তকে পালিয়ে যেতে সহযোগিতা করার অভিযোগ করা হয়েছে। একই সময়ে এ মামলার প্রধান আসামি কাশীপুর খিলমার্কেট এলাকার মৃত মনির হোসেনের ছেলে মো. তুর্জকেও (১৯) গ্রেফতার করা হয়।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, ফতুল্লা থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও কাশীপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এম সাইফউল্লাহ বাদলের ঘনিষ্ঠজন বলে পরিচিত শ্যামল। শ্যামল তার নিজের অফিসে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন বিষয়ে সালিশ বসিয়ে বিচার করেন। ক্ষমতাসীন দলের নেতা হওয়ায় এলাকায় বেশ প্রভাব রয়েছে তার।

মামলা সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত তুর্জ ভুক্তভোগী কিশোরীকে প্রায় সময়ই উত্যক্ত করতো এবং প্রেমের প্রস্তাব দিতো। প্রেমের প্রস্তাবে রাজি না হওয়াতে তুলে নিয়ে যাওয়ারও হুমকি দিতো সে। এ ঘটনায় যুবলীগ নেতা আনিসুর রহমান শ্যামলের অফিসে গিয়ে বিচার দেয় ভুক্তভোগী কিশোরীর মা। কিন্তু শ্যামল বিচার না করে উল্টো বাদীকে গালিগালাজ করে। এদিকে গত ১৯ জানুয়ারি বিকেলে আরবি পড়তে যাওয়ার পথে কিশোরীকে অপহরণ করে নিজ বাড়িতে নিয়ে গিয়ে আটকে রেখে ধর্ষণ করে। দীর্ঘ সময় মেয়ে বাড়িতে না ফেরায় খুঁজতে বের হন মা। পরে তুর্জের বাড়ি থেকে মেয়েকে উদ্ধার করেন। তুর্জ তাকে ধর্ষণ করেছে বলে জানায় ভুক্তভোগী কিশোরী। এ সময় আনিসুর রহমান শ্যামল ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে বিচার করা হবে বলে তার অফিসে নিয়ে যায়। পরে কোন বিচার কিংবা পুলিশে খবর না দিয়ে অভিযুক্ত তুর্জকে পালিয়ে যেতে সহযোগিতা করে শ্যামল। এমনকি এ বিষয়ে থানায় মামলা করতেও নিষেধ করে সে।

পরে এ ঘটনায় গত মঙ্গলবার রাতে ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে তুর্জ ও আনিসুর রহমান শ্যামলকে এজাহারনামীয় এবং আরও ২-৩ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে ফতুল্লা মডেল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন।

এ বিষয়ে ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসলাম হোসেন বলেন, ‘কিশোরীকে তুলে নিয়ে ধর্ষণের ঘটনায় ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে মঙ্গলবার রাতে মামলা করেছেন। মামলার প্রধান আসামি তুর্জ ও বিচারের নামে শালিস বসিয়ে অভিযুক্তকে পালিয়ে যেতে সহযোগিতা করার অভিযোগে যুবলীগ নেতা আনিসুর রহমান শ্যামলকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদেরকে দুপুরেই নারায়ণগঞ্জ আদালতে পাঠানো হয়েছে।’

আজকের জনপ্রিয় সংবাদ

নাঃগঞ্জ সদর ওসি তদন্ত কর্মকর্তা কে আদালতে তলব

স্কুল ছাত্রী জিসা মনি অপহরণ মামলায় সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ও মামলার বর্তমান …